বোন হে,
যারা পর্দার তথা হিজাবের ব্যাপারে আল্লাহ্র সিদ্ধান্তের পর নিজস্ব পান্ডিত্ব প্রকাশ করতে চান, তাদের ব্যাপারে আল্লাহর ঘোষণা হল আল কোর’আনের ভাষায় : “আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল কোন বিষয়ের নির্দেশে কিংবা ফায়সালা করে দিলে কোন ঈমানদার পুরষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোন অধিকার নেই। আর যে, কেউ আল্লাহ্ ও তার রাসূলের আদেশ অমান্য (নাফারমানী) করবে সে প্রকাশ্যে পথভ্রাষ্টতায় পতিত হবে।” (সূরা আহ্যাব, ৩৩ : আয়াতা৩৬)
অনুরূপ যারা নিজেদের বিচার বুদ্ধি, স্বকীয়তা এবং আল্লাহর ও তাঁর রাসূলের (সা:) আনুগত্যের প্রতি কোনরূপ গুরত্ব না দিয়ে ঢালাওভাবে অন্যের অনুসরণ করে সত্য পত বিচ্যুতবস্হায় জীবন পরিচালনা করতো এবং করে তাদের উদ্দেশ্যে আল্লাহ্র রাসূল (সা:) এরশাদ করেছেনঃ
“তোমাদের কেউ যেন এরকম সেবাদাস না হয় যে, সে বলবে আমি চলছি মানুষদের সাথে। সুতরাং মানুষ যদি ভাল কাজ করে, তাহলে আমি ভাল কাজ করব আর মানুষ যদি খারাপ কাজ করে তাহলে আমিও খারপ কাজ করব। বরং তোমরা নিজেরা নিজেদের এমনবাবে প্রস্তুত করে নাও যে, তোমরাই মানুষদের নিয়ে ভাল কাজ করবে। আর যদি কেউ খারাপ কাজ করতে চায় তখন নিজেরা খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকবে।”
এবার তার উদ্দেশ্যে বলতে চাই। “যিনি বলেন যে, যদি আমি এই আধুনিক সমাজে হিজাব পরি, তাহলে লোকেরা আমার দিকে তাকাবে ঠাট্টা-বিদ্রপ ও হাসি-তামাসার দৃষ্টিতে। কিন্তু যদি না পরি, তাহলে আমিও হয়ে গেলাম আধুনিক! আর তখনই মানুষ আমাকে এমনটা করবে না, কেননা আমি তো তাদের মতই”।
হে জ্ঞানী গুণী ও বিদূষী মহিলা! জেনে রেখ, নিশ্চয়ই আধুনিক সমাজে ইসলামী বৈশিষ্ট্যে নিজেকে গুছাতে গিয়ে প্রচলিত সমাজ ব্যবস্হা থেকে ব্যতিক্রম হওয়াটাই হল ঈমান এবং ঈমানের দাবি। যে দিকে তোমাকে আহবান করছেন, তোমার পুত-পবিত্র রব তথা সৃজন-রক্ষণ-পালন ও বিবর্ধন কর্তা। আল্লাহ নিজে পর্দার তথা হিজাবের ব্যাপারে হুকুম করার পরে এ বিষয়ে ব্যক্তিগত কোন অভিমত খাটানো কোন মুসলিমের পক্ষে জায়েয নয়।
thank you all of my brother
thank you all of my brother who are involved in this good better and best organigation.
may allah bless all of my brother who were involved this organisation.
Post new comment