সদ্ববহার বলে হয়, মাতা-পিতার প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া, তাদের সাথে সুন্দর ও কোমল আচরণ করা, তাঁদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া, তাদের সাথে সুন্দর ও কোমল আচরণ করা, তাঁদের প্রতি দয়া পরবশ হওয়া ও যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা, তাদের প্রতি যত্নবান হওয়া এবং তাঁদের অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রেখে তাঁদের সেবাযত্ন করা ও তাদের যাবতীয় প্রয়োজন পূরণ করা।১
ইমাম আবুল লাইস সমরকন্দী (রা) সন্তানের ওপর মাতা-পিতার অধিকার এবং মাতা-পিতার সাথে সন্তানের সদ্ব্যবহার সম্পর্কে লিখেছেন, তাঁদের যখন পানাহারের প্রয়োজন হয় তখন তাঁদেরকে পানাহার করানো। তাঁদের পোশাকের প্রয়োজন হলে পোশাক-পরিচ্ছদ দেয়া। তাঁদেরকে যখন যে সেবাযত্নের প্রয়োজন হয় তখন সেই সেবা প্রদান করা। তাঁরা ডাকলে সানন্দে তাঁদের ডাকে সাড়া দেয়া, তাঁরা কোন কাজের আদেশ করলে তা পালন করা, তাঁদের আগে না হাটা, তাঁদের সামনে ও উপরে না বসা। তাঁদের পিছনে ও নীচে বসা এবং সব সময় তাঁদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা। তাঁদের নাফরমানী ও অবাধ্যতা থেকে দূরে থাকা।২
_______________________________
১। সালেহ ইবন আবদুর রহমান ইবন হুমাইদ, আবদুর রহমান ইবনু মুহাম্মাদ ইবনে মাল্লূহ (এর তত্ত্ববধানে রচিত), মাসূআহ নাদুরাতুন নাঈম, দারুল ওয়াসীলা, ৩য় সং, ১৪২৫ হিজরী, ২০০৪ ইং, ৩ খ, পৃ. ৭৬৭; ইমাম বুখারী, আদারুল মুফরাদ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওয়াকফ ও ইসলামী বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১৪০১, পৃ. ১০,১১।
২। নাদরাতুন নাঈম, ৩ খ, পৃ. ৭৭৯।
Post new comment