মাতা-পিতা আল্লাহ তাআলার শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। সন্তানের জন্ম ও তাদের লালন-পালনে আল্লাহর পরেই মাতা-পিতার অবদান সবচাইতে বেশী। মাতা-পিতার অবদান ও ইহসানের কৃতজ্ঞতা জানালে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। তাদের কৃতজ্ঞতা আল্লাহর অকৃতজ্ঞতারই শামিল।
মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করলে ঈমান পরিপূর্ণ হয় এবং ইসলামী জীবন যাত্রা সুন্দর হয়।
মাতা-পিতার আনুগত্য করা উত্তম ইবাদত ও শ্রেষ্ঠ আনুগত্য।
মাতা-পিতার সন্তুষ্টি জান্নাতের চাবিকাঠি। মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার জান্নাতের পথে ধাবিত করে। যাকে আল্লাহ তাআলা মাত-পিতার সেব-যত্ন ও খেদমত করার সৌভাগ্য দান করেছেন, প্রকৃতপক্ষে তাকে তিনি জান্নাতের পথে চলারই সুযোগ করে দিয়েছেন। যে ব্যক্তি এ সৌভাগ্য অর্জন করেছে, আল্লাহ তাআলা তাকে জন্নাতে প্রবেশ করাবেন।
মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করলে, তাঁদের সেব-যত্ন ও খেদমত করলে হায়াত বৃদ্ধি পাবে, আয়-রোজগারে বরকত হবে এবং অর্থ সম্পদ বৃদ্ধি পাবে।
মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহারে করলে পরকালে মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষের কাছে সে প্রশংসিত হবে।
যে ব্যক্তি মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করে, তার সন্তানরাও তার সাথে সদ্ব্যবহার করবে, তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে এবং তাকে মর্যাদা প্রদান করবে। মাতা-পিতার সাথে ভালো আচরণ করলে আল্লাহ তাআলা তার সন্তানদেরকেও সেই শিক্ষাই দেবেন।
মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করলে এবং তাদের সেবাযত্ন করলে বিপদ মুসিবদ দূর হয় ও দুশ্চিন্তা মুক্তি হওয়া যায়।
যে ব্যক্তি মাতা-পিতার বন্ধুদের সাথে সদাচারণ করবে, তার নূর বিলুপ্ত করা হবে না।
মাতা-পিতার সন্তষ্টি আল্লাহর সন্তুষ্ট। মাতা-পিতাকে সন্তষ্ট করার কাজ করতে থাকলে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করা যায়।
আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করা, হজ্ব ও উমরা পালন করা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত। যে ব্যক্তি মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করে, তাঁদের অধিকার আদায় করে এবং তাঁদের সেবা-যত্ন করে, আল্লাহ তাআলা তাকে কবুল হজ্জ ও উমরার সমান সওয়াব দান করেন।
মাতা-পিতার খেদমত ও সেবা-যত্ন করা জিহাদের সমতুল্য ইবাদত। ক্ষেত্রে বিশেষ তার চাইতেও বড়। মাতা-পিতার খেদমতে নিয়োজিত থাকলে দ্বীন প্রতিষ্ঠানকারী মুজাহিদগণের মধ্যে গণ্য হওয়া যাবে এবং জিহাদের ময়দানে অংশ গ্রহণকারীদের সমতুল্য মর্যাদার অধিকারী হওয়া যাবে।১
১। সূরা বাণী ইসরাঈল : ২৩-২৪
Post new comment