i. তৃতীয় দফা : প্রশিক্ষণ

কুরআন

اِقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِيْ خَلَقَ ـ خَلَقَ الاِنْسَانَ مِنْ عَلَقٍ ـ اِقْرَأَ وَرَبُّكَ الاَكْرَمُ الَّذِيْ عَلَّمَ بِالْقَلَمِ ـ عَلًَّمَ الاِنْسَانَ مَالَمْ يَعْلَمْ ـ
উচ্চারণ: : ইকরা বিসমি রাব্বিকাল্লাযী খলাক। খলাকাল ইনসানা মিন আলাক। ইকরা ওয়া রাব্বুকাল আকরামুল্লাযী আল্লামা বিলকালাম। আল্লামাল ইনসানা মালাম ইয়া’লাম।
(১) পড়ুন! আপনার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট বাঁধা রক্তপিন্ড থেকে। পাঠ করুন, আপনার প্রতিপালক মহামান্বিত, যিনি কলমের সাহায্য শিক্ষা দিয়েছেন, শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানতো না। (সূরা আলাক: ১-৫)

كَمَا اَرْسَلْنَا فِيْكُمْ رَسُوْلاً مِّنْكُمْ يَتْلُوْا عَلَيْكُمْ ايتِنَا وَيُزَكِّيْكُمْ وَيُعَلِّمُكُمْ الْكِتبَ وَالْحِكْمَةَ وُيُعَلِّمُكُمْ مَّالَمْ تَكُوْنُوْا تَعْلَمُوْنَ ـ
উচ্চারণ: : কামা আরসালনা ফীকুম রাসূলাম মিনকুম ইয়াতুল আলাইকুম আইয়াতিনা ওয়া ইউযাককীকুম ওয়া ইউআল্লামুকুমুল কিতাবা ওযাল হিকমাতা ওয়া ইউআল্লাহিমুকুম মা লাম তাকুন তা’লামূন।
(২) (হে আহলে কিতাব!) যেমন আমি তোমাদের মধ্যে থেকে তোমাদের জন্য একজন রাসূল পাঠিয়েছি, যিনি তোমাদের কাছে আমার বাণীসমূহ পাঠ করবেন এবং তোমাদের পবিত্র করবেন, তোমাদের শিক্ষা দিবেন কিতাব ও হিকমাত, আর এমন বিষয় শিক্ষা দেবেন যা তোমরা জানতে না। (সূরা বাকারা: ১৫১)

وَلكِنْ كُوْنُوْا رَبَّنِيْنَ بِمَا كُنْتُمْ تُعَلِّمُوْنَ الْكِتبَ وَبِمَا كُنْتُمْ تَدْرَسُوْنَ ـ (ال عمران : 79)
উচ্চারণ: : ওয়া লাকিন কুনূ রাব্বানীনা বিমা কুনতুম তুআল্লিমূনাল কিতাবা ওয়া বিমা কুনতুম তাদরুসুন।
(৩) (নবী) তিনি তো ইহাই বলবেন যে, তোমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও এ জন্য যে, তোমরা কিতাব নিজেরা শিখ ও অন্যদেরকে শিক্ষা দাও। (সূরা আলে-ইমরান: ৭৯)

قُلْ هَلْ يَسْتَوْيْ الاَعْمي وَالْبَصِيْرَ اَمْ هَلْ تَسْتَوِيْ الظُّلُمتُ وَالنُّوْرِ ـ (الرعد : 16)
উচ্চারণ: : কুল হাল ইয়াসতাবিল আ’মা ওয়াল বাছীরু আম, হাল তাসতাবিযু যুলুমাতু ওয়ানুর।
(৪) বলুন হে নবী! অন্ধ ও চক্ষুষ্মান লোক কি কখনো এক হতে পারে? আলো ও অন্ধকার কি কখনো এক ও অভিন্ন হয়? (সূরা আর-রাদ: ১৬)

يَرْفَعُ اللهُ الَّذِيْنَ امَنُوْا مِنْكُمْ وَالَّذِيْنَ اُوْتُوْا الْعِلْمَ دَرَجَتٍ وَّ اللهُ بِمَا تَعْلُوْنَ خَبِيْرٌ ـ (المجادلة : 11)
উচ্চারণ: : ইয়ারফাউ’ল্লাযীনা আমানূমিনকুম ওয়াল্লযীনা উতূল ই’লমা দারাজাতিন ওয়াল্লাহু বিমা তা’মালূন।
(৫) তোমাদের মধ্যে যার ঈমানদার এবং যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে আল্লাহ তাদেরকে সুউচ্চ মর্যাদা দান করবেন। আর যা কিছু তোমরা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে পূর্ণ অবহিত। (সূরা আল মুজাদালা :১১)

قالَ لَهُ مُوْسى هَلْ اَتَّبِعُكَ عَلى اَنْ تُعَلِّمَنِ مِمَّا عُلِمْتَ رُشْدًا ـ (كهف : 66)
উচ্চারণ: : কালা লাহু মূসা হাল আত্তাবিউকা আ’লা তুআ’ল্লিমানি মিম্মা উ’ল্লিমতা রুশদা।
(৬) মুসা (আ) তাকে বলল, আমি কি এ শর্তে আপনার অনুসরণ করতে পারি যে, সত্য পথের যে জ্ঞান আপনাকে শেখানো হয়েছে, তা থেকে আমাকে কিছু শিক্ষা দেবেন? (সূরা আরাফ : ৬৬)
আরো দেখুন : সূরা ইমরান : ৪৮, ১১৪, সূরা জাসিয়া : ৬, সূরা আদ-দুখান : ৫৮, সূরা মুমিনূন : ২, সূরা আলাক : ১-৫।

হাদীস
وَعَنْ اَنَسٍ (رض) قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ (صلعم) مَنْ خَرَجَ فِىْ طَلَبَ فِىْ الْعِلْمِ كَانَ فِىْ سَبِيْلِ اللهِ حَتَّي يَرْجِعَ ـ
(১) হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি ইলম হাসিল করার উদ্দেশ্য বের হয় সে ফিরে না আসা পর্যন্ত আল্লাহর পথে (জিহাদের মধ্যে) অবস্থান করে। (তিরমিযী)

وَعَنْ اِبْنِ عَبَّاسٍ قَالَ تَدَارَسُ الْعِلْمِ سَاعَمً مِّنَ اللّْلِ خَيْرٌ مِّنْ اَحْيَائِهَا ـ
(২) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাতের বেলা এক ঘন্টা ইলমের দারস বা আলোচনা করা পুরো রাত জেগে ইবাদাত করা হতে উত্তম। (দারেমী)

وّعَنْ عَبْدِ اللهِ بِنْ عُمْرِوٍ (رض) قَالَ رَسُوْلُ اللهُ (صلعم) اِنَّ مِنْ خِيَارِكُمْ اَحْسَنَكُمْ اَخْلاَقًا ـ (بخاري ـ مسلم)
(৩) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি-ই সবচেয়ে উত্তম যে চরিত্রের দিক দিয়ে উত্তম। (বুখারী, মুসলিম)

عَنْ اَبْىْ هُرَيْرَةَ (رض) قَالَ قَالَ وَرَسُوْلُ اللهِ (صعلم) تَعَلَّمُوْا الْفَرَائِضَ وَالْقُرْانَ وَعَلِّمُوْا النَّاسَ فَانِّيْ مَقْ
(৪) আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, তোমরা ফারায়েয ও কুরআন শিক্ষা এবং মানুষকে তাহা শিক্ষা দাও। কেননা আমাকে অতিসত্বরই উঠিয়ে নেয়া হবে। (তিরমিযী)

وَعَنْ اَنَسٍ (رض) قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ (صلعم) طَلَبُ الْعِلْمِ فَرْيْضَةُ عَلى كُلِّ مُسْلِمٍ ـ (ابن ماجة)
(৫) হযরত আনাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইলম সন্ধান করা প্রত্যেক মুমিনের উপর ফরয তা অবশ্য কর্তব্য। (ইবনে মাজাহ)

وَعَنْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ (رض) قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ (صلعم) مَنْ سُئْلَ عَنْ عِلْمِ فَكَتَمَهُ الْجِمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِلِجَامٍ مَنْ نََّارِ ـ (ترمذى : ابوداود)
(৬) হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তিকে দ্বীনের কোন ইলম সম্পর্ক জিজ্ঞেস করা হয় এবং তা সে গোপন রাখে তবে তাকে কিয়ামতের দিন আগুনের লাগাম পরানো হবে। (তিরমিযী, আবু দাউদ)

Post new comment

The content of this field is kept private and will not be shown publicly.
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • You may use [inline:xx] tags to display uploaded files or images inline.

More information about formatting options

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

ফেসবুক ফ্যান


সাম্প্রতিক মন্তব্য

পড়া লেখা

নতুন সদস্য

  • tausif699
  • Tasria
  • Naimul Islam
  • omarfarukbdin
  • mukul1942
  • Zakaria Ahmed
  • Maidul_Islam
  • smhusain.2002
  • rinkufahad
  • Ali Jinnah

অনলাইনে আছেন

There are currently 1 user and 7 guests online.

Online users

  • tausif699