c. খিলাফতের দায়িত্বের বিভিন্ন দিক ও মানুষ গড়ার পদ্ধতি

মানুষ গড়ার দায়িত্ব

আল্লাহ তাআলা মানুষকে নৈতিক জীব হিসেবে দেখতে চান। মানুষকে যে দেহ দান করা হয়েছে তা আসল মানুষ নয়; আসল মানুষ হল রূহ। দেহ বস্তুগত উপাদান দিয়ে তৈরি বলে বস্তুজগতের প্রতি এর প্রবল আকর্ষণ রয়েছে। দেহের সকল দাবিকে নাফস বলা হয়। নাফসের কোন নৈতিক চেতনা নাই। আল কুরআনের ১২ নং পারার প্রথম আয়াতে আছে:

অর্থ: নিশ্চয়ই নাফস অবশ্যই মন্দের হুকুমদাতা। (সূরা ইউসুফ: ৫৩)

রূহই হল নৈতিক চেতনা, যাকে বিবেক বলা যায়। কুরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষনা করেছেন যে, আদম সৃষ্টির পর সকল মানুষের রূহ একই সাথে পয়দা করে তাদেরকে জিজ্ঞেস করেছেন:

অর্থ: আমি কি তোমাদের রব নই? তারা বলল, অবশ্যই আমরা এ কথার সাক্ষ দিচ্ছি। (সূরা আল আ’রাফ: ১৭২)
ভাল-মন্দ বিচারবোধ সম্পন্ন সৃষ্টি হিসেবে রূহই আসল মানুষ। এ মানুষকে আল্লাহ তাআলা দুটো জিনিস দিয়েছেন। একটি হল সৃষ্টি-জগৎ এবং অপরটি হল জগৎকে কাজে লাগাবার যোগ্য হাতিয়ার। দেহটিই ঐ হাতিয়ার।

يا ايها الناس(হে মানব জাতি!) বলে আল্লাহ যাদেরকে সম্বোধন করেন তারা মানুষের দেহ নয়; রূহ। মানুষের জন্য যে বিধান (ইসলাম) পাঠিয়েছেন তা মেনে চলার দায়িত্ব এ রূহকেই দেওয়া হয়েছে। তাই এ বিধান মানার যোগ্য হতে হলে রূহকে দেহের উপর নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব করার যোগ্য হতে হবে। দেহটি যদি রূহের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয় তাহলে ঐ দেহ পশুর চেয়েও অধম বলে কুরআনে বলা হয়েছে।

তাই সত্যিকার মানুষ হতে হলে রূহকে এতটা শক্তিশালী হতে হবে, যাতে দেহকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। মানুষ গড়ার আসল কাজ এটা। আল্লাহ তাআলা চান যে, মানুষ এ মানে গড়ে উঠুক। গড়বার নিয়ম আল্লাহই দিয়েছেন। কিন্তু এ কাজটি আল্লাহ নিজে করেন না। তাঁর পক্ষ থেকে তাঁরই দেওয়া নিয়মে যারা এ কাজটি করে তারা খিলাফতের দায়িত্ব পালন করল।

মানুষ গড়ার পদ্ধতি

মানুষ গড়ার আল্লাহর শেখানো পদ্ধতিটি কী তা জানা জরুরি। মানুষ গড়া মানে মানুষের মন, মগজ ও চরিত্র গড়ে তোলা। মনের সাথে ঈমানের সম্পর্ক, মগজের সাথে ইলমের সম্পর্ক এবং চরিত্রের সাথে আমলের সম্পর্ক।

উন্নত নৈতিক জীব হিসেবে মানুষকে গড়তে হলে মনে খাঁটি ঈমান, মগজে নির্ভুল শিক্ষা এবং চরিত্রে মানবিক গুনাবলি সৃষ্টি করতে হবে। এ উদ্দেশ্য ঈমান, ইলম ও আমল সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।

১. ঈমান

ঈমান অর্থ বিশ্বাস। বিশ্বাস জিনিসটা কী?

বিশ্বাসের সহজ সংজ্ঞা :

যে বিষয়ে সরাসরি বা প্রত্যক্ষ (Direct) জ্ঞান নেই, অথচ সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে, তখন পরোক্ষ (Indirect) জ্ঞানের মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এ সিদ্ধান্তই বিশ্বাস। বাস্তব জীবনে পদে পদে মানুষকে এভাবেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

এ বিশ্বের কোন স্রষ্টা আছে কিনা এবং মৃত্যুর পরে আবার জীবিত হতে হবে কিনা, এ সব বিষয়ে সরাসরি কোন ধারণা মানুষের নেই। এ সব প্রশ্নের সঠিক জওয়াব দেবার জন্য কারো কাছেই প্রত্যক্ষ জ্ঞান নেই। কুরআনে এ সব বিষয়ে বিপুল পরোক্ষ জ্ঞান দান করা হয়েছে। ঐ সব জ্ঞানে এমন বলিষ্ঠ যুক্তি রয়েছে, যার ভিত্তিতে এক বিশেষ ধরনের বিশ্বাস জন্মে-এরই নাম ঈমান।

কেউ ইসলাম গ্রহণ করতে চাইলে তাকে:

1. আল্লাহ, ফেরেশতা, আল্লাহর কিতাবসমূহ, আল্লাহর রাসূলগণ, আখিরাত (পরকাল), তাকদীর ও মৃত্যুর পর পুনরুজ্জীবনে বিশ্বাস করতে হবে।
2. আল্লাহর উপর ঈমান আনলে আল্লাহর সাথে ঈমানদারের যে সম্পর্ক হয় তা অনুভব করতে হবে। সূরা 'আনআম' -এ আল্লাহ নিজেই ঘোষণা করেছেন, "তিনি মানুষের রব, বাদশাহ ও ইলাহ (হুকুমকর্তা)।" এ সব সম্পর্কের তাৎপর্য জানতে হবে।
3. কী কারণে ঈমান দুর্বল হয় তা জানতে হবে। ঈমান দুর্বল হলে আল্লাহর সাথে ঐ সব সম্পর্ক বহাল থাকতে পারে না।
4. ঈমানকে মযবুত করার জন্য যে দুটো শর্ত পূরণ করা প্রয়োজন তা ভালভাবে বুঝতে হবে। প্রথমত ঈমানকে শিরকমুক্ত হতে হবে। দ্বিতীয়ত তাগূতকে মানতে অস্বীকার করতে হবে। শিরক ও তাগূত সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা থাকতে হবে।
[দ্রষ্টব্য: এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে হলে লেখকের 'মযবুত ঈমান' বইটি পড়ুন।]

২. ইলম

ইলমের দিক দিয়ে গড়ে উঠতে হলে জানতে হবে:

1. ইলম শব্দের আভিধানিক অর্থ জ্ঞান। ইসলামী পরিভাষায়, কুরআন ও হাদীসে ইলম শব্দটি ওহী দ্বারা প্রাপ্ত জ্ঞানকে বুঝায়।

2. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيْضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ
অর্থ: প্রত্যেক মুসলিমের উপর ইলম তালাশ করা ফরয। (ইবনে মাজাহ, বায়হাকী)
দুনিয়ার সব ইলম তালাশ করা ফরয নয়; কুরআন ও হাদীসের ইলম তালাশ করা ফরয। কারণ মুসলিম হিসেবে কালেমায়ে তাইয়েবার দাবি অনুযায়ী সব ক্ষেত্রেই আল্লাহর হুকুম ও রাসূলের তরীকা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। ওহীর ইলম হাসিল না করলে তা করা সম্ভব হবে না। যে এ ইলম শিখবে না, সে কাফিরের মতই জীবন যাপন করবে।

3. কতটুকু ইলম হাসিল করা ফরয তা বুঝতে হবে। ৩০ পারা কুরআন ও লক্ষ লক্ষ হাদীসের ইলম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া কারো পক্ষেই আয়ত্ত করা সম্ভব নয়।

যার উপর যে দায়িত্ব পালন করা জরুরি, সে দায়িত্ব পালনের জন্য কুরআনের ও হাদীসের যেটুকু জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন ততটুকু ইলমই ফরয।

প্রথম উদাহরণ: যার উপর যাকাত দেওয়া ফরয নয় তার উপর যাকাত সম্পর্কিত ইলম হাসিল করা ফরয নয়। যার উপর যাকাত ফরয তাকে জানতে হবে যে, কোন্ মালের কতপরিমাণ যাকাত দিতে হবে এবং কোন্ কোন্ খাতে যাকাতের মাল খরচ করতে হবে।

দ্বিতীয় উদাহরণ: যে পুরুষ ও নারী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হল তাদের উভয়কেই জানতে হবে মুসলিম হিসেবে বিবাহিত জীবনে কী নিয়মে যাপন করতে হবে। না জানলে কাফির স্বামী-স্ত্রীর মতই জীবন যাপন করবে। বিয়ের আগে তাদের উপর এ ইলম হাসিল করা ফরয ছিল না। বিবাহের পর যখন তারা সন্তানের পিতা-মাতা হবে তখন ঐ দায়িত্ব পালনের জন্যও প্রয়োজনীয় ইলম অর্জন করা তাদের জন্য ফরয হবে।

তৃতীয় উদাহরণ: যার উপর রাষ্ট্র পরিচালনা ও দেশ শাসনের দায়িত্ব পড়বে, সে যদি মুসলিম হয়ে থাকে তাহলে তাকে জানতে হবে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দায়িত্ব কিভাবে পালন করেছেন। যদি সে এ ইলম হাসিল না করে তাহলে মুসলিম নামধারী হলেও কাফির শাসকদের মতই রাষ্ট্র পরিচালনা করবে।

4. কুরআন-হাদীসের যেটুকু জ্ঞান ফরয নয়, কেউ যদি নফল হিসেবে তা হাসিল করে তাহলে এর মূল্যায়ন কী? আমার উপর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেই। আমি এ বিষয়ে যেটুকু ইলম হাসিল করেছি তা আমার উপর ফরয ছিল না। আমার এ নফল ইলম অর্জনের কোন মূল্য আছে কিনা?

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
تَدَارُسُ الْعِلْمِ سَاعَةً مِّنَ اللَّيْلِ خَيْرٌ مِّنْ اِحْيَائِهَا

অর্থ: রাতের কিছু সময় দীনের ইলম চর্চা করা সারা রাত জেগে অন্য ইলম করার চেয়ে শ্রেষ্ঠ। (দারেমী)

এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, সকল নফল ইবাদতের মধ্যে দীনের ইলম চর্চা করা সেরা ইবাদত। তাই প্রত্যেক মুসলিমের উচিত সব সময় তার সাথে ইসলামী সাহিত্য রাখা। তাহলে যখনই অবসর পাওয়া যায়, সে সময়টা শ্রেষ্ঠ নফল কাজে লাগানো যায়।

5. এটাত জানা দরকার যে, পার্থিব বিভিন্ন জ্ঞানের কোন গুরুত্ব শরীআতে আছে কিনা? চিকিৎসাবিদ্যা, কৃষিবিদ্যা, প্রকৌশলবিদ্যা ইত্যাদি মানব জীবনে অপরিহার্য। শরীআতের দৃষ্টিতে এ সব জ্ঞানের মর্যাদা কী?
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
- طَلَبُ كَسْبِ الْحَلاَلِ فَرِيْضَةٌ بَعْدَ الْفَرِيْضَةِ
অর্থ: হালাল রুজি তালাশ করাও অন্যান্য ফরযের পর একটি ফরয। (বায়হাকী)

এ হাদীসে হালাল রোজকার করার জন্য চেষ্টা করা ফরয বলা হয়েছে। বেঁচে থাকতে হলে জীবিকা অর্জন করতেই হবে। হালাল জীবিকা অর্জনের চেষ্টা করা ফরয। এ ফরয আদায় করতে হলে কোন না কোন হালাল পেশা অবলম্বন করতে হবে।

যে যে পেশা গ্রহণ করবে সে পেশায় সফল হতে হলে তাকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জ্ঞানার্জন করতে হবে। যে চিকিৎসার পেশা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাকে এ বিদ্যা শিখতেই হবে। তার রোজগার হালাল হবে না, যদি সে চিকিৎসাবিদ্যা যথাযথ পরিমাণ না শিখেই এ পেশা চালায়। এ ব্যক্তির জন্য চিকিৎসাবিদ্যা ভালভাবে শিক্ষা করা পরোক্ষভাবে ফরয। তার জীবিকা হালাল করার জন্যই তা ফরয।

6. পেশার উদ্দেশ্য ছাড়াও সখ করে কোন বিদ্যা শিক্ষা করা উচিত কিনা? শরীআত যে সব কাজ হারাম করেছে, সে বিষয়ে জ্ঞানার্জনের চেষ্টা করাও হারাম। যে সব বিদ্যা হারাম কাজের শিক্ষা দেয় না। তা মুবাহ বা নির্দোষ। কেউ সখ করে এমন সব বিদ্যা শিখলে কোন দোষ হবে না, যদি তা নির্দোষ আনন্দ ও বিনোদন দান করে।

7. জ্ঞানের উৎস কী কী? ইন্দ্রিয়, বুদ্ধি, ইলহাম ও ওহী। শৈশব থেকেই প্রথম ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে জ্ঞান আহরণ শুরু হয়। ক্রমে বুদ্ধি প্রয়োগের দ্বারা জ্ঞান বৃদ্ধি পায়। জ্ঞান সাধনার এক পর্যায়ে হঠাৎ করেও জ্ঞান আসে। ইংরেজিতে এর উৎসটিকে Intuition বলে। ওহীর জ্ঞান ছাড়া এ সব উৎসের জ্ঞান নির্ভুল না-ও হতে পারে। তাই ওহীর জ্ঞানের বিরোধী কোন জ্ঞানই গ্রহণযোগ্য নয়।

৩. আমল বা চরিত্র
1. আমল মানে কাজ। কাজের মাধ্যমেই চরিত্র সৃষ্টি হয়। শূন্যে চরিত্র সৃষ্টি হয় না। সমাজ থেকে দূরে নির্জনে যে বসবাস করে সে সত্যবাদীও নয়, মিথ্যাবাদীও নয়। সে কথাই বলে না। সমাজে বসবাসকারী কথা বলতে বাধ্য। সে সত্যবাদী বা মিথ্যাবাদী হিসেবে গণ্য হবে। ভাল ও মন্দ চরিত্র কাজেরই ফসল।

2. কাজের সূচনা হয় চিন্তায়। বাস্তবায়িত হয় ইচ্ছা করলে বা সিদ্ধান্ত নিলে এবং চেষ্টা করলে।

3. কাজের সিদ্ধান্ত নেবার প্রক্রিয়ায় নাফস ও রূহের লড়াই চলে। এ লড়াইয়ে যে জয়ী হয় তার সিদ্ধান্তই কাল্‌ব বাস্তবায়ন করে।
দেহ দাবি জানায়। সে দাবি মন্দ হলে রূহ আপত্তি করে। এভাবে সুমতি ও কুমতির মধ্যে লড়াই চলে। শেষ পর্যন্ত যে বিজয়ী হয় তার দাবিই কাল্‌ব কার্যকর করে।

একটি উদাহরণ দেওয়া যায়: সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে - আইন, শাসন ও বিচার। আইন বিভাগ কিছু করার জন্য আইন রচনা করে। ঐ আইন শাসনতন্ত্র বিরোধী হলে বিচারবিভাগ আপত্তি জানায়। এ দু'বিভাগের দ্বন্দ্বে যে জয়ী হয় শাসন বিভাগ তা-ই কার্যকর করে। মানুষের দেহ রাজ্যেও তিনটি বিভাগ আছে। নাফ্‌স হলো, আইন বিভাগ, রূহ হলো বিচার বিভাগ এবং কাল্‌ব হলো শাসন বিভাগ।

4. কোন কাজ সমাধা করা বা সম্পন্ন করার কোন এখতিয়ার মানুষের নেই। কাজের ইচ্ছা করা ও চেষ্টা করার এখতিয়ারই শুধু আছে। কাজ সমাপ্ত হওয়া বা না হওয়া আল্লাহর ইচ্ছার উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করে।

5. মানুষের যেটুকু এখতিয়ার আছে তা করা হলে, কাজ সমাধা না হলেও ঐ কাজের পুরস্কার বা শাস্তি পাবে। কোন কাজ সমাধা হওয়ার উপর পুরস্কার ও শাস্তি নির্ভর করে না। ইচ্ছাকৃতভাবে কোন কাজ করার চেষ্টা করা হলেই কাজটি করা হয়েছে বলে ধরা হবে। এক ব্যক্তি হজ্জ করার ইচ্ছা করল এবং চেষ্টা স্বরূপ রওয়ানা হয়ে গেল। পথে সে মারা গেল। সে হজ্জ করেছে বলে ধরা হবে। তার যতটুকু এখতিয়ার ছিল তা সে করেছে। তাই সে হজ্জের পুরস্কার পাবে। এক ব্যক্তি একজনকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে শাবল হাতে নিয়ে আঘাত করতে উদ্যত হল। দু'জন লোক তাকে ধরে ফেলল এবং শাবল কেড়ে নিল। যদিও সে তাকে ছুঁতে পারেনি তবু আদালতে শাস্তি পাবে। 'Intentionally attempted to commit murder' এ কথা প্রমাণিত হলেই সে শাস্তি পাবে।
এক ব্যক্তি

Post new comment

The content of this field is kept private and will not be shown publicly.
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • You may use [inline:xx] tags to display uploaded files or images inline.

More information about formatting options

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

ফেসবুক ফ্যান


সাম্প্রতিক মন্তব্য

পড়া লেখা

নতুন সদস্য

  • Tasria
  • Naimul Islam
  • omarfarukbdin
  • mukul1942
  • Zakaria Ahmed
  • Maidul_Islam
  • smhusain.2002
  • rinkufahad
  • Ali Jinnah
  • Tarifdu

অনলাইনে আছেন

There are currently 0 users and 9 guests online.